কলার গায়ে লাগা সুতোগুলি পেটে গেলে কী হয়? এগুলি কি খাওয়া উচিত? জানলে মাথা ঘুরবে

'কলা' শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত কে না ভালোবাসে ? আমি ,আপনি সকলেই তো তাই না ? কলার স্বাদ, পুষ্টিগুণ সবকিছুই আমাদের মন কাড়ে । দুধ ভাতের সাথে,অথবা কোন কিছু ছাড়া এভাবেই আমরা খাই । আজকের আলোচনার বিষয় হল কলাতে থাকা সুতো সম্পর্কে। চলুন শুরু করা যাক।

banana strings,কলার গায়ে লাগা সুতোগুলি ও কলার খোসা
কলা ছাড়ানোর সময় গায়ে লেগে থাকা সুতোগুলি ফেলে দিতে হবে, নাকি এগুলিও খাওয়া যায়? জানুন এগুলোর আসল বিষয়।



কলা খাওয়ার সময় অনেকেই খেয়াল করেন, কলার খোসা ছাড়ানোর পর ফলের গায়ে সাদা বা হালকা হলুদ রঙের সরু সরু সুতোর মতো অংশ লেগে থাকে। এগুলোকে অনেকে কলার আঁশ, সুতা বা শিরা বলে থাকেন। কলা খাওয়ার সময় কেউ এগুলো তুলে ফেলেন, আবার কেউ কোনো গুরুত্ব না দিয়ে কলার সঙ্গে এগুলোও খেয়ে ফেলেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই সুতোগুলো ভুল করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে পেটে গেলে আসলে কী হয়?


অনেকের ধারণা, কলার গায়ে থাকা এই সুতোগুলো পেটে গিয়ে জমে থাকতে পারে, পাকস্থলীতে আটকে যেতে পারে কিংবা হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। আবার কেউ মনে করেন, এগুলো হয়তো কলার এমন একটি অংশ যা খাওয়া উচিত নয়। বাস্তবে বিষয়টি এতটা ভয় পাওয়ার মতো নয়। কলার এই আঁশযুক্ত অংশ সাধারণত কলার স্বাভাবিক গঠন ও পরিবহনব্যবস্থারই অংশ।


কলার গায়ে থাকা এই সুতোগুলোকে সাধারণভাবে "ফ্লোয়েম বান্ডল (phloem bundles)" বলা হয়। উদ্ভিদের মধ্যে পানি, খনিজ ও তৈরি হওয়া খাদ্য বিভিন্ন অংশে পরিবহনের কাজে এগুলো ভূমিকা রাখে। কলার শাঁসের সঙ্গে এই তন্তুগুলো যুক্ত থাকে বলেই খোসা ছাড়ানোর সময় এগুলো অনেক সময় আলাদা হয়ে বেরিয়ে আসে।



এই সুতোগুলোতে উদ্ভিদজাত তন্তু বা ফাইবারসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান থাকে। ফলে এগুলো খেয়ে ফেললে সাধারণত মানুষের শরীরে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে না। স্বাভাবিক পরিমাণে কলার সঙ্গে এগুলো পেটে গেলে অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্য তা ক্ষতিকর হওয়ার কথা নয়।


তবে এর অর্থ এই নয় যে কলার প্রতিটি অংশ সবার জন্য একইভাবে খাওয়া বাধ্যতামূলক। কারও কাছে এগুলোর স্বাদ বা মুখের অনুভূতি ভালো নাও লাগতে পারে। আবার খুব বেশি পরিমাণে কোনো আঁশযুক্ত খাবার একসঙ্গে খেলে সংবেদনশীল ব্যক্তির পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ারও প্রয়োজন নেই, আবার বিশেষ কোনো স্বাস্থ্যগুণের আশায় অতিরিক্ত খাওয়ারও প্রয়োজন নেই।


এই লেখায় জানা যাবে কলার গায়ে থাকা সুতোগুলো আসলে কী, পেটে গেলে কী হয়, এগুলো খাওয়া নিরাপদ কি না, এগুলোতে কোনো পুষ্টিগুণ আছে কি না এবং কোন পরিস্থিতিতে সতর্ক হওয়া উচিত।



 কলার গায়ে লাগা সুতোগুলো আসলে কী?


কলার খোসা ছাড়ানোর পর শাঁসের গায়ে যে সরু আঁশ বা সুতোর মতো অংশ দেখা যায়, সেগুলো কলাগাছের পরিবহন টিস্যুর অংশ। উদ্ভিদের পাতায় তৈরি হওয়া খাদ্য বিভিন্ন অংশে পৌঁছাতে ফ্লোয়েম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কলার ফলের গঠনেও এই ধরনের পরিবহন টিস্যু থাকে।


এই তন্তুগুলো কলার শাঁসের সঙ্গে লম্বালম্বিভাবে অবস্থান করে। খোসা ছাড়ানোর সময় এগুলো অনেক সময় শাঁসের সঙ্গে লেগে থাকে এবং আঙুল দিয়ে সহজেই তুলে ফেলা যায়। কলার জাত, পাকার মাত্রা ও ফলের গঠনের ওপর নির্ভর করে এগুলো কখনো বেশি দৃশ্যমান আবার কখনো কম দৃশ্যমান হতে পারে।


অনেকে এগুলোকে কলার খোসার অবশিষ্ট অংশ মনে করেন। আসলে তা নয়। এগুলো কলার ভেতরের স্বাভাবিক উদ্ভিদ টিস্যুর অংশ। তাই কলার গায়ে থাকা এই আঁশকে কোনো আলাদা বা অস্বাভাবিক পদার্থ হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই।


এগুলো সাধারণত শক্ত বা মোটা নয়। মুখে কিছুটা আঁশযুক্ত অনুভূতি হতে পারে এবং শাঁসের তুলনায় একটু কম নরম মনে হতে পারে। এই কারণেই অনেকে কলা খাওয়ার আগে এগুলো তুলে ফেলেন।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কলার গায়ে থাকা স্বাভাবিক এই তন্তু এবং কোনো পচা, ছত্রাকযুক্ত, অস্বাভাবিক দাগ বা দূষিত পদার্থ এক জিনিস নয়। ফলের স্বাভাবিক আঁশ দেখে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।



কলার এই সুতোগুলো পেটে গেলে কী হয়?


কলার সঙ্গে এই সুতোগুলো খেয়ে ফেললে সাধারণত সেগুলো খাবারের সঙ্গে পরিপাকতন্ত্রে চলে যায়। এগুলো কোনো জীবন্ত পোকা বা ক্ষতিকর বস্তু নয় এবং সাধারণত পাকস্থলীতে গিয়ে আলাদা কোনো বিপজ্জনক সমস্যা তৈরি করে না।


এই আঁশযুক্ত উদ্ভিদ টিস্যুর কিছু উপাদান শরীর সম্পূর্ণভাবে হজম করতে পারে না। খাদ্যে থাকা বিভিন্ন ধরনের ফাইবারের মতো এর কিছু অংশও হজম না হয়ে অন্ত্রের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। পরে তা মলের সঙ্গে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।


অর্থাৎ, কলার সুতোগুলো পেটে গিয়ে স্থায়ীভাবে জমে থাকার সাধারণ কোনো কারণ নেই। স্বাভাবিক পরিমাণে খেলে এগুলো পাকস্থলীতে পাথরের মতো জমে থাকে—এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।


কেউ যদি ভুল করে কলার সঙ্গে কয়েকটি বা অনেকগুলো তন্তু খেয়ে ফেলেন, সাধারণত আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। পানি পান করে স্বাভাবিকভাবে খাবার গ্রহণ করলেই যথেষ্ট।


তবে কোনো খাবার খাওয়ার পর যদি তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, শ্বাসকষ্ট, গিলতে সমস্যা বা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়, তখন সেটিকে শুধু কলার আঁশের কারণে হয়েছে ধরে নেওয়া উচিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।


কলার সুতোগুলো কি খাওয়া উচিত?


হ্যাঁ, কলার গায়ে থাকা স্বাভাবিক সুতোগুলো "খাওয়া নিরাপদ"। এগুলো তুলে ফেলে কলা খেতেই হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। কলার সঙ্গে এগুলো খেয়ে ফেললে সাধারণত ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না।


এগুলোতে উদ্ভিদজাত তন্তু থাকে এবং কলার স্বাভাবিক খাদ্যগঠনের অংশ হিসেবে এগুলোকে বিবেচনা করা যায়। তবে শুধু এই সুতোগুলো খাওয়ার জন্য আলাদা করে কলা থেকে এগুলো সংগ্রহ করারও প্রয়োজন নেই।


কারও যদি আঁশগুলো মুখে ভালো না লাগে, তাহলে কলা খাওয়ার আগে এগুলো তুলে ফেলতে পারেন। এতে কোনো সমস্যা নেই। এগুলো খেলে বিশেষ উপকার হবেই—এমন দাবিও করার প্রয়োজন নেই।


অন্যদিকে, এগুলো তুলে ফেললে কলা কম পুষ্টিকর হয়ে যায়—এমন ধারণাও ঠিক নয়। কলার প্রধান পুষ্টিগুণ আসে এর শাঁস থেকে, যেখানে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে।


তাই সহজভাবে বলা যায়: "খেতে চাইলে খেতে পারেন, না চাইলে তুলে ফেলতে পারেন।" সাধারণ সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে কলার গায়ে থাকা স্বাভাবিক সুতোগুলো নিয়ে বিশেষ দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই।


কলার সুতোগুলোতে কি কোনো পুষ্টিগুণ আছে?


কলার এই তন্তুগুলো উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুর অংশ হওয়ায় এতে বিভিন্ন উদ্ভিদজাত উপাদান ও তন্তু থাকতে পারে। তবে শুধু এই সুতোগুলোকে কোনো বিশেষ পুষ্টির উৎস হিসেবে আলাদা করে দেখানোর মতো শক্ত প্রমাণ নেই।


খাদ্যে ফাইবারের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ফাইবার থাকা স্বাভাবিক অন্ত্রের কার্যক্রমে সহায়ক হতে পারে এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


তবে কলার সুতোগুলো খাওয়ার কারণে আলাদা কোনো উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকার পাওয়া যায়—এমন ধারণা করা ঠিক নয়। অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব আঁশকে নিয়ে অতিরঞ্জিত স্বাস্থ্য দাবি দেখা যায়, কিন্তু সেগুলোর সবগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়।


একটি কলা খাওয়ার সময় কয়েকটি তন্তু খেয়ে ফেললে সামান্য পরিমাণ উদ্ভিদজাত আঁশ পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু দৈনিক ফাইবারের চাহিদা পূরণের জন্য শুধু কলার এই সুতোর ওপর নির্ভর করা যুক্তিযুক্ত নয়।


ফাইবারের ভালো উৎস হিসেবে শাকসবজি, ফলমূল, ডাল, পূর্ণ শস্য, বাদাম ও বীজসহ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যকর খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।



কলার সুতোর কারণে কি পেটের সমস্যা হতে পারে?


স্বাভাবিক পরিমাণে কলার সঙ্গে থাকা তন্তু খেলে অধিকাংশ মানুষের কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ এগুলো কলার স্বাভাবিক অংশ এবং সাধারণত অল্প পরিমাণেই খাওয়া হয়।


তবে যেকোনো আঁশযুক্ত খাবারের মতো অতিরিক্ত পরিমাণে ফাইবার গ্রহণ করলে কিছু মানুষের পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। কিন্তু সাধারণভাবে একটি কলার সঙ্গে থাকা কয়েকটি তন্তু থেকে এমন সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।


যাদের পরিপাকতন্ত্র কোনো নির্দিষ্ট খাবারে সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। তাই কোনো খাবার খাওয়ার পর বারবার একই ধরনের সমস্যা হলে খাদ্যাভ্যাসটি চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের সঙ্গে আলোচনা করা ভালো।


আরেকটি বিষয় হলো, কলার তন্তুর সঙ্গে পেটের সমস্যাকে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। অপরিষ্কার ফল, পচা কলা বা দূষিত খাবার খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। সেই সমস্যার কারণ শুধু কলার স্বাভাবিক আঁশ নাও হতে পারে।


তাই কলার গায়ে থাকা সুতা দেখে ভয় পাওয়ার চেয়ে ফলটি পরিষ্কার, তাজা ও স্বাভাবিক অবস্থায় আছে কি না—সেদিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।


কলা খাওয়ার সময় কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত?


কলা খাওয়ার আগে খোসাটি পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো। বিশেষ করে ফলের বাইরের অংশে ময়লা বা অন্য কোনো পদার্থ লেগে থাকলে খোসা ছাড়ানোর সময় হাতের মাধ্যমে তা শাঁসে লাগতে পারে।


কলা পাকা হলে তার খোসায় বাদামি বা কালচে দাগ দেখা যেতেই পারে। সব দাগ পচন নির্দেশ করে না। তবে অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ, অতিরিক্ত পচন, ছত্রাকের মতো বৃদ্ধি বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা গেলে সেই ফল না খাওয়াই নিরাপদ।


খোসা ছাড়ানোর পর শাঁসে থাকা স্বাভাবিক তন্তুগুলো তুলে ফেলতে পারেন, আবার না তুলেও খেতে পারেন। এ বিষয়ে ব্যক্তিগত পছন্দই যথেষ্ট।




কলার সুতোগুলো নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা


একটি প্রচলিত ধারণা হলো, কলার এই সুতা পেটে গিয়ে জমে থাকে। বাস্তবে স্বাভাবিক পরিমাণে খাওয়া এই উদ্ভিদজাত তন্তু পাকস্থলীতে স্থায়ীভাবে জমে থাকার কথা নয়।


আরেকটি ধারণা হলো, এগুলো নাকি কলার এমন একটি অংশ যা শরীরের জন্য বিষাক্ত। এটি ঠিক নয়। কলার স্বাভাবিক ভেতরের তন্তু বিষাক্ত পদার্থ নয়।


কেউ কেউ মনে করেন, এগুলো তুলে না ফেললে কলার পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় বা কলা খাওয়া বিপজ্জনক হয়ে যায়। এরও কোনো সাধারণ ভিত্তি নেই। চাইলে তন্তুসহ কলা খাওয়া যায়।


আবার উল্টোভাবে কেউ কেউ এই সুতোগুলোকে অত্যন্ত উপকারী কোনো বিশেষ উপাদান হিসেবে প্রচার করেন। এটিও অতিরঞ্জিত হতে পারে। এগুলোতে উদ্ভিদজাত তন্তু থাকলেও আলাদা করে এগুলোকে কোনো “বিশেষ ওষুধ” হিসেবে বিবেচনা করার কারণ নেই।


তাই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত অবস্থান হলো—কলার এই স্বাভাবিক আঁশযুক্ত অংশ "নিরাপদ এবং খাওয়া বা না খাওয়া ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়"।



কখন সতর্ক হওয়া প্রয়োজন?


কলার স্বাভাবিক তন্তু খাওয়ার কারণে সাধারণত চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু কলাটি যদি পচা, ছত্রাকযুক্ত বা অস্বাভাবিকভাবে নষ্ট হয়ে থাকে, তখন বিষয়টি আলাদা। এমন ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত যা আগেই বলেছি।


কেউ যদি কোনো খাবার খাওয়ার পর তীব্র অ্যালার্জির লক্ষণ, শ্বাস নিতে কষ্ট, মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, বারবার বমি কিংবা অস্বাভাবিক শারীরিক প্রতিক্রিয়া অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।


একইভাবে তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা, পেট ফুলে থাকা, মলত্যাগে গুরুতর সমস্যা কিংবা বারবার হজমের সমস্যা হলে শুধু কলার সুতোর ওপর দায় চাপানো ঠিক নয়।


বিশেষ কোনো রোগ বা খাদ্য-সংক্রান্ত চিকিৎসা নির্দেশনা থাকলে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার নির্বাচন করা উচিত।



স্বাভাবিক একটি কলার সঙ্গে কয়েকটি আঁশ খেয়ে ফেলেছেন—এমন সাধারণ পরিস্থিতিতে অবশ্য আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম